ফিশিং লিংক দিয়ে হ্যাকিং করতো সে

৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১৫:০১  
ফেসবুক আইডিকে ফিশিং লিংকের মাধ্যমে হ্যাক করত হ্যাকার মো. কাউছার আহমেদ ওরফে কাউসিন (২০)। আইডি হ্যাক করে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করত সে। তার স্মার্টফোনে ফেসবুক আইডিসহ দুই শতাধিক আইডি পাওয়া গেছে। ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো.নাজমুল হাসান বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। হ্যাকার কাউছারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ফিশিং (Phishing) হচ্ছে এমন একটি টেকনিক যার মাধ্যমে একজন হ্যাকার খুব সহজেই আপনার জিমেইল/ফেসবুক সহ অনন্য আইডি কিংবা পার্সোনাল ইনফরমেশন হ্যাক করতে পারে। এবং এজন্য হ্যাকারের খুব বেশি হ্যাকিং নলেজ এর প্রয়োজন হয় না। ফিশিং কোন হ্যাকিং সিস্টেম না। বরং হ্যাকাররা এটাকে একটি স্প্যাম বলে থাকে। এই ফিশিং লিংকের মাধ্যমেই কাউছার সাধারণ মানুষকে ঘায়েল করতো। তিনি জানান, কাউছারের নামে মোহাম্মদপুর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা আছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সে ফেসুবক আইডি হ্যাক করে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করে। এরপরই তার খোঁজে নামে পুলিশ। অবশেষে কাউছার আহমেদকে মোবাইল ট্রাকিং, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, স্ক্রিল এবং জিমেইল কোম্পানি এবং প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে গ্রেফতার করে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট। ডিএমপি সূত্র জানায়, বুধবার (২ অক্টোবর ) কুমিল্লার কোটবাড়ির একটি হোস্টেল থেকে কাউছারকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ২টি মোবাইল ফোন, নগদ পাঁচ লাখ এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৭৭ হাজার ৭৮৬ টাকা উদ্ধার করা হয়।